বাংলাদেশ স্কাউটস গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৮ জানুয়ারি ২০১৭

আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো সপ্তাহ ব্যাপী একাদশ জাতীয় রোভার মুট


প্রকাশন তারিখ : 2017-01-26

“শান্তিময় জীবন উন্নত দেশ” এই থিমকে সামনে রেখে বঙ্গবন্ধুর জন্মভূমি গোপালগঞ্জের মানিকদহ-এ আজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো সপ্তাহ ব্যাপী একাদশ জাতীয় রোভার মুট। আজ ২৬জানুয়ারী ২০১৭ইং সকালে রোভার মুট উদ্বোধন করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। এ উপলক্ষে বাংলাদেশ স্কাউটস এর সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্নয়ক জনাব আবুল কালাম আজাদ এর সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ স্কাউটস এর প্রধান জাতীয় কমিশনার ও সিনিয়র সচিব জনপ্রসাশন মন্ত্রণালয়, ড. মোঃ মোজাম্মেল হক খান, মুট সাংগঠনিক কমিটির সভাপতি এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এর সচিব জনাব মোঃ শাহ কামাল।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে  মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে স্কাউট সদস্য সংখ্যা প্রায় ১৫ লক্ষ। আমি জানতে পেরেছি, বাংলাদেশ স্কাউটস ২০২১ সালের মধ্যে ২১ লক্ষ স্কাউট তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। স্কাউটিং এর গুণগতমান অক্ষুন্ন রেখে এ সংখ্যা আরো বৃদ্ধি করার উদ্যোগ নেয়ার জন্য তিনি স্কাউট নেতৃবৃন্দের প্রতি আহবান জানান। তিনি দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্কাউটিং চালু করার নির্দেশ দেন। ছেলেদের পাশাপাশি স্কাউটিং কার্যক্রমে মেয়েদের অংশগ্রহণ আরো বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে মেয়েদের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সহশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মানসম্মত গার্ল-ইন-স্কাউটিং ইউনিট চালু করার নির্দেশ দেন তিনি।

এর আগে সকাল ১১:০০টায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রোভার মুট ময়দান বঙ্গবন্ধু এ্যারিনায় এসে পৌঁছালে  বাংলাদেশ স্কাউটস এর সভাপতি জনাব মোঃ আবুল কালাম আজাদ, প্রধান জাতীয় কমিশনার ড. মোঃ মোজাম্মেল হক খান, মুট সাংগঠনিক কমিটির সভাপতি জনাব মোঃ শাহ কামাল,ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক আরশাদুল মুকাদ্দিস প্রধানমন্ত্রীকে স্কার্ফ, মুট ব্যাজ এবং ক্যাপ পরিয়ে স্বাগত জানান। অংশগ্রহণকারী রোভার স্কাউট ও গার্ল-ইন-রোভার ও পতাকাবাহী রোভার দলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত মার্চ পাস্ট শেষে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে তিনি মুট উদ্বোধন করেন। পরে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন তিনি। 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেখ হাসিনা তাঁর সরকারের আমলে গৃহীত ও বাস্থবায়িত নানা কর্মসূচির বিবরণ দিতে গিয়ে বলেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, যোগাযোগ, তথ্য প্রযুক্তি, শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ আর্থসামাজিক উন্নয়নে প্রতিটি ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে রোল মডেলে পরিনত হয়েছে। তিনি আরো বলেন, ২০২১ সালের আগেই বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃধ্য দেশে পরিণত করবো ইনশাআল্লাহ। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষের মাথা পিছু আয় ১,৪৬৬ ডলার। রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করে ৩৪.২৪ বিলিয়ন ডলারে পেীঁছেছে দেশী-বিদেশী বিনোয়োগ আশাব্যাঞ্জক হারে বেড়েছে। বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদন ১৫৩০০ মেগাওয়াট। দেশের ৮০% মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এসেছে। ২০২১ সালের মধ্যে আমরা ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌছে দিতে চাই। পদ্মা সেতুতে ২০১৮ সালে যানবাহন চলাচল করবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষা ক্ষেত্রে এ সরকারের সাফল্যের বর্ণনা দেন। তিনি প্রাকৃতিক দূর্যোগ, ঘুর্নিঝড়, বন্যা, অগ্নিদুর্ঘটনা ও শীতার্থ মানুষের সেবায় রোভারদের অবদানে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশ স্কাউটসকে এসব ক্ষেত্রে সেবাধর্মী কাজ আরো বিস্তৃত করার নির্দেশ দেন মাননয়ি প্রধানমন্ত্রী।

অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী তাঁবু এলাকা পরিদর্শন করেন এবং অংশগ্রহণকারী রোভার স্কাউট ছেলে-মেয়েদের সাথে মুট এর বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে কথা বলেন। 



Share with :

Facebook Facebook